গত ১ নভেম্বর রাজধানীর মিরপুর-১১ মেট্রো স্টেশনের নিচে, পূরবী সিনেমা হলের সামনে ন্যূনতম মাসিক বেতনের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশের একটি গাড়িতে আ`গু`ন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আ`গু`ন দেওয়ার সময় পল্লবী থানা ছাত্রশিবিরের দপ্তর সম্পাদককে আ`ট`ক করা হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি ছড়িয়ে পড়ে। তবে অনুসন্ধানে দেখা যায়, তাঁকে আটকের দাবির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। বরং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নিজেই গ্রে`ফ`তারের খবরটি মিথ্যা বলে নিশ্চিত করেছেন।
আলোচিত ঘটনার পর গত ১ নভেম্বর একাত্তর টিভির ফেসবুক পেজে ‘মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলনে সহিংসতার নেপথ্যে নি`ষি`দ্ধ আওয়ামী লীগ’ শিরোনামে ১০ জন আটক ব্যক্তির ছবি প্রকাশ করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে আটক ব্যক্তিদের আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট বলে জানানো হলেও জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্সের দাবি, ছবিতে থাকা ব্যক্তিদের একজনের নাম জায়েদ করিম। তিনি জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন এবং জুলাইপন্থী হিসেবে পরিচিত। পরবর্তী সময়ে তাঁকে পুলিশ ছেড়ে দেয় বলেও জানা যায়। তবে প্রকাশিত আটক ব্যক্তিদের তালিকা বা ছবির সঙ্গে পল্লবী থানা ছাত্রশিবিরের দপ্তর সম্পাদকের সংশ্লিষ্টতার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
পল্লবী থানা ছাত্রশিবিরের দপ্তর সম্পাদককে আ`ট`কের দাবির বিষয়ে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তাঁকে গ্রেফতারের তথ্যটি মিথ্যা। ১ নভেম্বর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত তিনি নিজ বাসাতেই অবস্থান করেছেন বলে নিশ্চিত করেন।
উল্লেখ্য, পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মিরপুরে মোট চারটি মামলা হয়েছে। ২ নভেম্বর দুপুর পর্যন্ত এ ঘটনায় ২৯ জনকে আটকের তথ্য জানিয়েছিল পুলিশ।
সুতরাং, পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশের গাড়িতে অ`গ্নিসংযোগের ঘটনায় পল্লবী থানা ছাত্রশিবিরের দপ্তর সম্পাদককে আ`টকের দাবিটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

