সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আগামী ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত সারাদেশে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে বলে দাবি ছড়িয়ে পড়েছে। তবে অনুসন্ধানে দেখা যায়, সারাদেশে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখার কোনো ঘোষণা দেয়নি পেট্রোবাংলা। সংস্থাটি জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ে গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় স্বল্পচাপ দেখা দিতে পারে।
এ বিষয়ে পেট্রোবাংলার ফেসবুক পেজে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) প্রক্রিয়াজাত করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের জন্য কক্সবাজারের মহেশখালীতে দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে। এর মধ্যে একটি টার্মিনালে রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। ফলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ কমতে পারে প্রায় ৩২ কোটি ঘনফুট। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
অর্থাৎ, একটি এলএনজি টার্মিনালে রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে গ্যাসের সরবরাহ কমবে, তবে সারাদেশে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে না। পেট্রোবাংলার বিজ্ঞপ্তিতে স্বল্পচাপের সম্ভাবনার কথা বলা হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে সেটিকে সারাদেশে গ্যাস সরবরাহ বন্ধের খবর হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে।
সুতরাং, চারদিন গ্যাসের স্বল্পচাপ থাকতে পারে বলে পেট্রোবাংলার দেওয়া তথ্যকে সারাদেশে গ্যাস সরবরাহ বন্ধের ঘোষণা হিসেবে প্রচার করা বিভ্রান্তিকর।

