সম্প্রতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) কার্যালয়কে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনার মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি প্রচার করে দাবি করা হচ্ছে, রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার সাম্প্রতিক সংঘর্ষে আহত হয়েছেন।
তবে অনুসন্ধানে দেখা যায়, আলোচিত দাবিটি সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে, প্রচারিত ছবিটি সাম্প্রতিক ঘটনার নয়; বরং ২০২৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের আন্দোলনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হওয়ার সময় তোলা একটি পুরোনো ছবি নতুন ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করে প্রচার করা হয়েছে।
অনুসন্ধানে ‘AL Amin Hossain Chandpuri’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টে চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত একটি পোস্টে একই ছবির সন্ধান পাওয়া যায়। পোস্টের ক্যাপশন থেকেই নিশ্চিত হওয়া যায়, ছবিটি শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে অনুষ্ঠিত আন্দোলনে সালাহউদ্দিন আম্মার আহত হওয়ার সময়ের।
পরবর্তীতে বিষয়টি দেশীয় একাধিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করেও একই তথ্যের সত্যতা মেলে। প্রতিবেদনগুলো থেকে জানা যায়, জাতিসংঘের অধীনে শরীফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্তের দাবিতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা অভিমুখে কর্মসূচি পালন করতে গেলে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনায় ইনকিলাব মঞ্চের একাধিক নেতার পাশাপাশি রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারও আহত হন। অর্থাৎ, আলোচিত ছবিটি সেই ঘটনারই এবং এর সঙ্গে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক উত্তেজনার কোনো সম্পর্ক নেই।
এছাড়া, সাম্প্রতিক ঘটনায় সালাহউদ্দিন আম্মার ওই ছবির মতো আহত হয়েছেন—এমন কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য, ছবি বা প্রতিবেদন গণমাধ্যম কিংবা বিশ্বস্ত সূত্রে পাওয়া যায়নি

