সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে জাহিদুল ইসলাম-এর নামে তারেক রহমান এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য প্রচার করা হচ্ছে। প্রচারিত বক্তব্যে বলা হয়েছে—“তারেক রহমান ১৭ বছর লন্ডনে নর্তকী নিয়ে থাকতেন, তার স্ত্রী এক জার্মান যুবকের সাথে লিভ টুগেদার করেছেন এবং তার মেয়ে বিকিনি পরে লন্ডনের নাইটক্লাবে পার্টি করেছেন”—এ ধরনের গুরুতর অভিযোগ তার নামে ছড়ানো হয়।
তবে যাচাই-বাছাইয়ে দেখা গেছে, জাহিদুল ইসলাম এমন কোনো মন্তব্য করেননি। তার অফিসিয়াল ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ ও অন্যান্য নির্ভরযোগ্য সূত্রে এ ধরনের বক্তব্যের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে তিনি নিজেই তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিষয়টি ভুয়া বলে দাবি করেন এবং জানান, আওয়ামী লীগ ভুয়া তথ্যভিত্তিক ফটোকার্ড ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করছে, আর বিএনপি ও ছাত্রদলের অনেক কর্মী যাচাই না করেই সেগুলো শেয়ার করছে। একইসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনাও একটি ভুয়া ফটোকার্ডকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে। তার মতে, এ ধরনের অপপ্রচারের মাধ্যমে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে এবং এর পেছনে কিছু সংগঠিত প্রচেষ্টা কাজ করছে।
অনুসন্ধানে আরও দেখা যায়, একটি নির্দিষ্ট সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট থেকে এই বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুয়া উদ্ধৃতি তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া, প্রচারকারী অ্যাকাউন্টগুলোর কনটেন্ট বিশ্লেষণেও পক্ষপাতমূলক ও বিভ্রান্তিকর পোস্টের প্রবণতা পাওয়া যায়।
সুতরাং, জাহিদুল ইসলামের নামে তারেক রহমান ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে প্রচারিত কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যটি সম্পূর্ণ ভুয়া, মনগড়া এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী।

