হজ যাত্রীদের ১৫০টি লাগেজ থেকে মালামাল
চুরির অভিযোগটি ভিত্তিহীন এবং বিভ্রান্তিকর
সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি দাবি ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে বলা হয়—পবিত্র হজ শেষে দেশে ফেরা যাত্রীদের প্রায় ১৫০টি লাগেজ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (HSIA) কেটে মালামাল চুরি করা হয়েছে।
তবে বিস্তারিত অনুসন্ধানে এ দাবির কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যাগেজ ক্লেইম শাখার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, আলোচিত ফ্লাইট (BG-3104)-এ আগত যাত্রীদের ব্যাগেজ সংক্রান্ত ঘটনাগুলো ছিল পৃথক ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ।
জানা যায়, একজন যাত্রীর ব্যাগে জমজমের পানি থাকায় সৌদি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তা ব্যাগ থেকে আলাদা করে রাখে, কারণ নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী চেক-ইন লাগেজে জমজমের পানি বহন অনুমোদিত নয়। আরেকজন যাত্রীর ব্যাগ অতিরিক্ত ওজনের কারণে ফেটে যায় বলে জানা যায়। অন্য এক যাত্রীর ব্যাগে ঘোষণা ছাড়া নগদ অর্থ পাওয়া গেলে তা সৌদি ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ জব্দ করে।
বিমান কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যায় আরও জানানো হয়, এসব পৃথক ঘটনায় কোনো ধরনের “১৫০টি ব্যাগ কেটে মালামাল চুরি” করার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। একইসঙ্গে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট যাত্রীরাও বিমানবন্দরের ব্যাগেজ ক্লেইম শাখায় কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেননি।
বিশ্লেষণে প্রতীয়মান হয়, নির্দিষ্ট কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে একত্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতিরঞ্জিত ও বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

