সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার একটি বিদ্যালয়ের চারজন সনাতন ধর্মাবলম্বী কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংখ্যালঘু নি`র্যা`তনের ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন পোস্টে ঘটনাটি আংশিক তথ্য উপস্থাপন করে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে প্রচার করা হচ্ছে।
তবে অনুসন্ধানে জানা যায়, চার কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার পর তাদের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান শুরু করে। পরদিনই সিলেটের একটি বাস কাউন্টার থেকে চারজনকেই উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়ার সময় তারা গোয়াইনঘাটগামী বাসের অপেক্ষায় ছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে তাদের ধারণা—চার কিশোরী একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক বা মানবপাচার চক্রের খপ্পরে পড়েছিলেন এবং তাদের ভারতে পাচারের চেষ্টা চলছিল। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
যাচাইয়ে আরও দেখা যায়, ভাইরাল পোস্টগুলোতে চার কিশোরী উদ্ধার হওয়ার তথ্য উল্লেখ না করে কেবল নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তিকর বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। এতে ঘটনাটির প্রকৃত অগ্রগতি আড়াল হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে।
সুতরাং, ঠাকুরগাঁওয়ের চার হিন্দু কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাকে সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রমাণ হিসেবে প্রচার করা বিভ্রান্তিকর। প্রকৃতপক্ষে, অভিযোগ পাওয়ার পরদিনই পুলিশ তাদের সিলেট থেকে উদ্ধার করে এবং ঘটনাটি মানবপাচারচেষ্টার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কি না, তা তদন্ত করছে।

