
সম্প্রতি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের এক আত্মীয় ম‘দপান করছেন দাবিতে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে। ভিডিওটি ব্যবহার করে ওই ব্যক্তিকে জুবাইদা রহমানের পরিবারের সদস্য বা আত্মীয় হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রচারিত ভিডিওতে থাকা ব্যক্তির সঙ্গে জুবাইদা রহমানের পরিবারের কোনো সম্পর্কের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। প্রকৃতপক্ষে, ভিডিওটি ভারতের এক ব্যক্তির এবং জুবাইদা রহমানের আত্মীয় পরিচয়ে এটি প্রচার করা হয়েছে।
আলোচিত ভিডিওটির উৎস ও ব্যক্তির পরিচয় যাচাই করে দেখা যায়, ভিডিওটি বাংলাদেশে ধারণ করা নয়। ভিডিওতে থাকা ব্যক্তির পরিচয়, অবস্থান এবং ভিডিওটি প্রথম কোথায় প্রকাশিত হয়েছিল—এসব তথ্য বিশ্লেষণেও জুবাইদা রহমানের পরিবারের সঙ্গে তার কোনো যোগসূত্র পাওয়া যায়নি। একই ভিডিও ভারতীয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে প্রচারিত হওয়ার তথ্যও পাওয়া যায়।
এছাড়া, জুবাইদা রহমানের পরিবারের কোনো সদস্যের ম‘দপানের দৃশ্য হিসেবে দাবিটির পক্ষে নির্ভরযোগ্য কোনো সংবাদমাধ্যম, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা অন্য কোনো গ্রহণযোগ্য সূত্রে তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে শুধু চেহারাগত সাদৃশ্য বা কোনো সূত্রহীন পোস্টের ভিত্তিতে ভিডিওতে থাকা ব্যক্তিকে জুবাইদা রহমানের আত্মীয় হিসেবে চিহ্নিত করার সুযোগ নেই।
অর্থাৎ, ভিন্ন দেশের একজন ব্যক্তির পুরোনো/ভিন্ন প্রেক্ষাপটের ভিডিওকে জুবাইদা রহমানের আত্মীয়ের ম‘দপানের দৃশ্য হিসেবে উপস্থাপন করে বিভ্রান্তিকর প্রচার চালানো হচ্ছে।

