ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে গত কয়েক দিন ধরে রাজধানীর মিরপুর, সাভার-আশুলিয়া ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ চলছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ৪ নভেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হয়, সাভারের হেমায়েতপুরে গু`লি করে পাঁচ শ্রমিককে হ`ত্যা করা হয়েছে।
তবে অনুসন্ধানে দেখা যায়, হেমায়েতপুরে গু`লি করে পাঁচ শ্রমিককে হ`ত্যার দাবির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রমাণ নেই। প্রকৃতপক্ষে, ওই এলাকায় শ্রমিকদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটলেও সেখানে কেউ নি`হ`ত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে অনুসন্ধানে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত পোস্টগুলো পর্যবেক্ষণ করে পাঁচ শ্রমিক নি`হ`ত হওয়ার দাবির সপক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে হেমায়েতপুরে সংঘর্ষের বিষয়ে প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড দিয়ে অনুসন্ধানে মূলধারার সংবাদমাধ্যম আজকের পত্রিকার ওয়েবসাইটে গত ৪ নভেম্বর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সাভারের হেমায়েতপুরে বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে শ্রমিকদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তবে ওই প্রতিবেদনেও কোনো শ্রমিক নি`হ`ত হওয়ার তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।
এ ছাড়া, এ বিষয়ে অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসন্ধান করেও হেমায়েতপুরে পাঁচ শ্রমিক নি`হ`ত হওয়ার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
অর্থাৎ, হেমায়েতপুরে শ্রমিকদের বি`ক্ষো`ভ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলেও সেখানে গু`লি করে পাঁচ শ্রমিককে হত্যার কোনো তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি। দাবিটি মিথ্যা।

