Google search engine
HomePoliticsহ`ত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বা এনসিপির কোনো নেতাকর্মীর সম্পৃক্ততার তথ্যও...

হ`ত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বা এনসিপির কোনো নেতাকর্মীর সম্পৃক্ততার তথ্যও এখন পর্যন্ত কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্রে পাওয়া যায়নি।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রচার করে দাবি করা হচ্ছে, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় নিখোঁজের ১০ দিন পর যুবলীগ নেতা রায়হান তালুকদারের ১৫ টুকরা খণ্ডিত মরদেহ তার বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত পুকুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। কিছু পোস্টে কোনো যাচাইকৃত তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই এই হ`ত্যাকাণ্ডের জন্য বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের দায়ী করা হয়েছে।

তবে অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রচারিত ভিডিওটি কোনো যুবলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধারের নয়। প্রকৃতপক্ষে, গত ২ আগস্ট ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার সোয়াইতপুর গ্রামে কাস্টমসের নিরাপত্তা শাখায় কর্মরত রাকিব রায়হান তালুকদারের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনার ভিডিওকে ভিন্ন পরিচয় ও রাজনৈতিক দাবি যুক্ত করে প্রচার করা হয়েছে।

অনুসন্ধানে গত ২ আগস্ট প্রকাশিত একটি ভিডিওর সঙ্গে আলোচিত ভিডিওটির দৃশ্যের মিল পাওয়া যায়। মূল ভিডিওর তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজের কয়েক দিন পর ফুলবাড়িয়ার এনায়েতপুর ইউনিয়নের সোয়াইতপুর গ্রামে বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত পুকুর থেকে রাকিব রায়হানের মরদেহের খণ্ডাংশ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের অংশগুলো তিনটি ব্যাগ ও একটি বিছানার চাদরে মোড়ানো অবস্থায় ছিল।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নি`হ`ত রাকিব রায়হান তালুকদার ঢাকার কমলাপুরে কাস্টমসের নিরাপত্তা শাখায় সিপাহী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি কোনো যুবলীগ নেতা ছিলেন—এমন তথ্য কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্রে পাওয়া যায়নি। একইভাবে, নিহত ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় বা কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার বিষয়েও প্রতিবেদনে কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।

নি`হ`ত রাকিব রায়হানের পরিবার গত ২৬ জুলাই তার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর তার বড় ভাই ২৭ জুলাই ফুলবাড়িয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এদিকে, জিডি হওয়ার পর বাড়ির কেয়ারটেকার আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় তাকে ঘিরে সন্দেহের কথা জানিয়েছে পুলিশ। তবে হ`ত্যার কারণ, ঘটনায় কতজন জড়িত এবং কারা জড়িত—এসব বিষয় নিশ্চিত করতে তদন্ত চলমান রয়েছে।

এছাড়া, হ`ত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বা এনসিপির কোনো নেতাকর্মীর সম্পৃক্ততার তথ্যও এখন পর্যন্ত কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্রে পাওয়া যায়নি। তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই কোনো প্রমাণ ছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ যুক্ত করে ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular