সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও এক্সে একটি ভিডিও প্রচার করে দাবি করা হয়েছে, ঢাকা–কুমিল্লা মহাসড়কে একটি সিএনজি তল্লাশির সময় দুইটি পিস্তলসহ জামায়াতের এক নেতাকে গ্রে`প্তা`র করা হয়েছে। একই ভিডিও ব্যবহার করে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে অ`স্ত্র পাচার করছে—এমন দাবিতেও ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।
তবে অনুসন্ধানে দেখা যায়, প্রচারিত ভিডিওটির সঙ্গে জামায়াতের কোনো নেতাকে অ`স্ত্রসহ গ্রে`প্তা`রের ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়নি। মূলধারার কোনো গণমাধ্যম বা নির্ভরযোগ্য সূত্রেও ঢাকা–কুমিল্লা মহাসড়কে এমন কোনো ঘটনার তথ্য মেলেনি।
ভিডিওটি পর্যবেক্ষণে উপস্থিত ব্যক্তিদের চলাফেরা, শরীরের নড়াচড়া এবং আশপাশের পরিবেশে একাধিক অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা যায়, যা এআই প্রযুক্তিতে তৈরি ভিডিওর বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
পরবর্তীতে ভিডিওটি এআই-নির্মিত কনটেন্ট শনাক্তকারী টুল Hive Detect এবং Deepfake-o-meter–এর একাধিক মডেলের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা হলে, ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় শতভাগ বলে শনাক্ত হয়।
সুতরাং, জামায়াত নেতার সিএনজি থেকে দুইটি পি`স্ত`ল উদ্ধারের দাবিতে ফেসবুক, এক্স ও ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওটি বাস্তব নয়; এটি এআই প্রযুক্তির সহায়তায় তৈরি একটি ভুয়া ভিডিও।

