সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে, এক উপজেলা জামায়াত আমির প্যান্টের ভেতরে করে কোটি টাকার ইয়াবা পাচারের সময় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের হাতে আ`ট`ক হয়েছেন। একই পোস্টে আরও দাবি করা হয়, সংসদে মাদকের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়া ওই ব্যক্তি নিজেই ইয়াবা পাচারের সঙ্গে জড়িত।
তবে অনুসন্ধানে দেখা যায়, প্রচারিত দাবিটি বিভ্রান্তিকর। ইয়াবাসহ আটক ব্যক্তি কোনো উপজেলা জামায়াত আমির নন। প্রকৃতপক্ষে, তিনি টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি হাফিজ উল্লাহ।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারের ইনানী মেরিন ড্রাইভ-সংলগ্ন এলাকায় কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযানে টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি হাফিজ উল্লাহকে আ`ট`ক করা হয়। টেকনাফ থেকে কক্সবাজারগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। তিনি টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ডেইলপাড়ার মৃত তৈয়ম গোলালের ছেলে।
অর্থাৎ, ইয়াবাসহ আটকের ঘটনাটি সত্য হলেও আটক ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্পূর্ণ ভিন্ন তথ্য প্রচার করা হয়েছে। টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি হাফিজ উল্লাহকে ‘উপজেলা জামায়াত আমির’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়ে ঘটনাটিকে ভিন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে উপস্থাপন করা হয়েছে।
সুতরাং, ‘কোটি টাকার ইয়াবাসহ উপজেলা জামায়াত আমির আ-ট-ক’—শীর্ষক দাবিটি বিভ্রান্তিকর। প্রকৃতপক্ষে, ইয়াবাসহ আটক ব্যক্তি টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি হাফিজ উল্লাহ, কোনো উপজেলা জামায়াত আমির নন।

