সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি ছড়িয়ে পড়েছে যে, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি “গোপন সামরিক চুক্তি” চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে, যার আওতায় মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও সামরিক বিমান বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও মাতারবাড়ী বন্দর ব্যবহার করতে পারবে।
তবে বিস্তারিত অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এই দাবি সঠিক নয়। গত ১৫ মে ২০২৬ তারিখে ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেটি কোনো সামরিক চুক্তি নয়। বরং এটি ছিল জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি “কৌশলগত সহযোগিতা” বিষয়ক সমঝোতা স্মারক (MoU)।
চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট। প্রকাশিত তথ্য ও অফিসিয়াল বিবৃতিতে কোথাও সামরিক ঘাঁটি, যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন বা বন্দর ব্যবহারের মতো কোনো বিষয় উল্লেখ নেই।
বিশ্লেষণে প্রতীয়মান হয়, একটি অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সহযোগিতা চুক্তিকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে “দেশবিরোধী সামরিক চুক্তি” হিসেবে উপস্থাপন করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

