সাম্প্রতিক সময়ে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দাবি করা হয়, খুলনায় আওয়ামী লীগ নেতাকে না পেয়ে তার স্ত্রীকে থানায় এনে নির্যাতন করেছে পুলিশ।
তবে যাচাইয়ে দেখা গেছে, দাবিটি সঠিক নয়। ভিডিওটি নতুন নয়; প্রায় দেড় বছর আগ থেকেই এটি অনলাইনে রয়েছে। ভিডিওর দৃশ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ঘটনাস্থলটি কোনো থানা নয় বরং একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা অফিসের মতো স্থান। সেখানে “নগদ প্রদান” লেখা সাইনবোর্ড, কাউন্টার ও গ্রাহকসেবার কাঠামো দেখা যায়।
এছাড়া অনুসন্ধানে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে প্রচারিত “কিস্তির টাকা দিতে না পারাতে অফিসে এনে এনজিওর কর্মকর্তা আটক করে মহিলাকে নির্যাতন” শিরোনামের একই ভিডিও পাওয়া যায়।
অর্থাৎ, ভিডিওটি থানায় পুলিশি নির্যাতনের ঘটনা বলে যে দাবি ছড়ানো হচ্ছে, তা বিভ্রান্তিকর এবং যাচাইয়ে সত্য প্রমাণিত হয়নি।

