Google search engine
HomePoliticsবর্তমান স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দীনের বিরুদ্ধে “২০০১ সালে ১০৯ জন হিন্দু নারী...

বর্তমান স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দীনের বিরুদ্ধে “২০০১ সালে ১০৯ জন হিন্দু নারী ধর্ষণের নেতৃত্বের দায়” সংক্রান্ত প্রচারিত দাবিটি ভিত্তিহীন, অপ্রমাণিত এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার। 

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে “বিজন সরকার” নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে করা পোস্টে বর্তমান স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দীনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। পোস্টটিতে দাবি করা হয়, ২০০১ সালে তার নিজ জেলায় বিএনপি নেতাকর্মীরা একরাতে ১০৯ জন হিন্দু নারীকে ধর্ষণ করেছিল এবং ওই ঘটনার “নেতৃত্বের দায়” বর্তমান স্পিকারের ওপর বর্তায়। একইসঙ্গে ঘটনাটিকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বিচার না হওয়ার অভিযোগও তোলা হয়েছে।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, আলোচিত দাবির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রমাণ, আদালতের নথি, তদন্ত প্রতিবেদন কিংবা গ্রহণযোগ্য গণমাধ্যম সূত্র পাওয়া যায়নি। কোথাও এমন কোনো তথ্য মেলেনি যে মেজর হাফিজ উদ্দীনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগে কোনো মামলা, তদন্ত বা বিচারিক কার্যক্রম হয়েছে।

প্রচারিত পোস্টটিতে গুরুতর অভিযোগ করা হলেও দাবির পক্ষে কোনো তথ্যসূত্র, নথি বা প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। মূলধারার গণমাধ্যম, মানবাধিকার সংস্থা কিংবা নির্ভরযোগ্য অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে “১০৯ জন হিন্দু নারী ধর্ষণের নেতৃত্ব” সংক্রান্ত অভিযোগে মেজর হাফিজ উদ্দীনের সম্পৃক্ততার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

এছাড়া পোস্টটিতে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও সাম্প্রদায়িক নির্যাতনের বিভিন্ন প্রসঙ্গ একত্র করে বর্তমান স্পিকারকে জড়িয়ে নেতিবাচক জনমত তৈরির চেষ্টা লক্ষ্য করা যায়। মূলত, তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হেয় করার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তবে অভিযোগের সাথে তার সরাসরি সংশ্লিষ্টতার কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।

সুতরাং, বর্তমান স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দীনের বিরুদ্ধে “২০০১ সালে ১০৯ জন হিন্দু নারী ধর্ষণের নেতৃত্বের দায়” সংক্রান্ত প্রচারিত দাবিটি ভিত্তিহীন, অপ্রমাণিত এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার। 

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular