সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলা চলচ্চিত্রের অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনকে সালমান শাহ হ‘ত্যা মা‘ম‘লায় আদালত মৃ‘ত্যু‘দ‘ণ্ড দিয়েছে—এমন দাবি ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টগুলোতে ডনের গ্রে‘প্তা‘রের বিষয়টির সঙ্গে মৃ‘ত্যু‘দ‘ণ্ডের দাবিটিও যুক্ত করে প্রচার করা হচ্ছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ডনকে মৃ‘ত্যু‘দ‘ণ্ড দেওয়ার দাবিটির কোনো সত্যতা নেই। প্রকৃতপক্ষে, সালমান শাহ হ‘ত্যা মা‘ম‘লা‘য় গ্রে‘প্তা‘রের পর আদালতে হাজির করা হলে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে আদালত কোনো মৃ‘ত্যু‘দ‘ণ্ডে‘র রায় ঘোষণা করেনি।
এ বিষয়ে প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদনগুলো পর্যালোচনা করে জানা যায়, গত ৯ আগস্ট ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ ডনকে গ্রে‘প্তা‘র করে। পরে তাকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) হস্তান্তর করা হয় এবং একই দিন আদালতে হাজির করা হলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরবর্তীতে তাকে কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের শাপলা সেলে রাখা হয়।
অর্থাৎ, ডনের বিরুদ্ধে মামলাটি বিচারিকভাবে নিষ্পত্তি হয়ে মৃ‘ত্যু‘দ‘ণ্ডে‘র রায় দেওয়ার কোনো তথ্য নেই; বরং গ্রে‘প্তা‘রের পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সুতরাং, সালমান শাহ হ‘ত্যা মা‘ম‘লায় অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনকে আদালত মৃ‘ত্যু‘দ‘ণ্ড দিয়েছে—এমন দাবিটি ভুয়া।

