Google search engine
HomeOthersবারুইপুরে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনাকে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনা হিসেবে প্রচারিত দাবিটি...

বারুইপুরে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনাকে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনা হিসেবে প্রচারিত দাবিটি বিভ্রান্তিকর

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক কিশোরীকে ধ`র্ষ`ণ ও হ`ত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি পোস্ট ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টে দাবি করা হয়, “বারুইপুরে নাবালিকাকে ধ`র্ষ`ণ করে খু`ন। মনে রেখো বাংলাদেশ, এর বিচার কিন্তু একদিন এই বাংলার মাটিতেই হবে, ইনশা আল্লাহ।” একইসঙ্গে ঘটনাটিকে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সময়ের ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করে বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে ব্যাপকভাবে প্রচার করা হচ্ছে। ফলে অনেক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী ঘটনাটি বাংলাদেশে ঘটেছে বলে মনে করে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।

তবে অনুসন্ধানে দেখা যায়, প্রচারিত দাবিটি বিভ্রান্তিকর। প্রকৃতপক্ষে, ঘটনাটি বাংলাদেশের নয়; এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার বারুইপুর এলাকার একটি মর্মান্তিক অপরাধের ঘটনা।

দাবিটির সত্যতা যাচাইয়ে অনুসন্ধানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)–এ একই ঘটনার একটি ভিডিও পাওয়া যায়, যেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে ঘটনাটি পশ্চিমবঙ্গের বারুইপুরে ১২ বছর বয়সী এক কিশোরীকে অপহরণ, ধ`র্ষ`ণ ও হ`ত্যার সঙ্গে সম্পর্কিত। পরবর্তীতে ভৌগোলিক তথ্য যাচাই করে নিশ্চিত হওয়া যায়, বারুইপুর বাংলাদেশের কোনো জেলা বা উপজেলা নয়; এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার একটি মহকুমা ও শহর।

অর্থাৎ, ভারতের একটি অপরাধের ঘটনাকে বাংলাদেশে সংঘটিত হয়েছে—এমনভাবে উপস্থাপন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা বাস্তবতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং জনমনে বিভ্রান্তি তৈরির ঝুঁকি সৃষ্টি করে।

সুতরাং, বারুইপুরে কিশোরী ধ`র্ষ`ণ ও হ`ত্যা`র ঘটনাকে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনা হিসেবে প্রচারিত দাবিটি বিভ্রান্তিকর। প্রকৃতপক্ষে, ঘটনাটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বারুইপুরে সংঘটিত হয়েছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular