সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি কথিত সংবাদ ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে—চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ভারতে যাওয়া এক বাংলাদেশি নারী পর্যটক কলকাতার একটি হোটেলে ধ`র্ষ`ণের শিকার হয়েছেন। পোস্টগুলোতে ঘটনাটিকে বাস্তব সংবাদ হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও অনুসন্ধানে দাবিটির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি।
যাচাই করে দেখা যায়, ভারতের কলকাতাভিত্তিক কিংবা বাংলাদেশের কোনো মূলধারার গণমাধ্যমে এমন ঘটনার কোনো সংবাদ প্রকাশিত হয়নি। বরং দাবিটির বিস্তার ঘটেছে শুধুমাত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন পোস্টের মাধ্যমে, যেখানে কোনো গ্রহণযোগ্য সূত্র, মা`ম`লা সংক্রান্ত তথ্য বা সরকারি বক্তব্য উল্লেখ করা হয়নি।
প্রচারিত লেখাটির ভাষা ও কাঠামো বিশ্লেষণেও এআই-নির্মিত কনটেন্টের একাধিক বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়। একই ধরনের আনুষ্ঠানিক বাক্য বারবার ব্যবহার, নির্দিষ্ট তথ্যসূত্রের অনুপস্থিতি, সাধারণীকৃত দাবি এবং প্রত্যক্ষ উদ্ধৃতির অভাব থেকে ধারণা পাওয়া যায় যে এটি বাস্তব সংবাদ নয়; বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় তৈরি বা সম্পাদিত একটি ভুয়া লেখা।
এছাড়া বিষয়টি সম্পর্কে কলকাতার গণমাধ্যমকর্মীরা নিশ্চিত করেছেন, সম্প্রতি কলকাতায় কোনো বাংলাদেশি নারী পর্যটককে ধর্ষণের এমন ঘটনা ঘটেনি।
সুতরাং, ‘বাংলাদেশি নারী পর্যটককে কলকাতায় হোটেলে ধ-র্ষ-ণ’ শীর্ষক দাবিটি সম্পূর্ণ মি`থ্যা। প্রকৃতপক্ষে, এআই-নির্মিত একটি ভুয়া সংবাদকে বাস্তব ঘটনা হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে।

