সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভা`ঙ`চুরের একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, অ‘শ্লীল কার্যকলাপের অভিযোগে ক্ষুব্ধ তৌহিদী জনতা তাঁর স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে। পোস্টগুলোতে ঘটনাটিকে ধর্মীয় ক্ষোভ থেকে সংঘটিত হা`ম`লা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
তবে ঘটনাটি নিয়ে পুলিশের বক্তব্য ও প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এই দাবির সঙ্গে ভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ জানিয়েছে, ইসিবি চত্বরের নিউ গিনি প্রপার্টিজ এলাকায় একটি ভবনকে কেন্দ্র করে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই হা‘ম‘লার ঘটনা ঘটে। পুলিশ আরও জানায়, সালমান মুক্তাদির ওই ভবনের একটি ফ্লোর ভাড়া নিয়ে সেখানে স্টুডিও পরিচালনা করছিলেন এবং হা‘ম‘লার সময় তাঁর স্টুডিওও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হা‘ম‘লার লক্ষ্য সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ছিল না। বরং নিউ গিনি প্রপার্টিজ লিমিটেড ও একটি পার্শ্ববর্তী জমির মালিকের মধ্যে বিরোধকে কেন্দ্র করেই ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে আ‘ট‘ক করেছে এবং আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
অন্যদিকে, সালমান মুক্তাদির নিজেও জানিয়েছেন, হা‘ম‘লার মূল লক্ষ্য তাঁর স্টুডিও ছিল বলে তিনি মনে করেন না। তাঁর ধারণা, ভবনের মালিকের সঙ্গে কোনো বিরোধের জেরেই হা‘ম‘লা হয়ে থাকতে পারে এবং সেই ঘটনায় তাঁর স্টুডিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অর্থাৎ, স্টুডিওতে হামলা ও ব্যাপক ভা‘ঙ‘চুরের ঘটনা সত্য হলেও সেটিকে অশ্লীল কার্যকলাপের অভিযোগে তৌহিদী জনতার হামলা হিসেবে উপস্থাপনের পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে না। বরং পুলিশ ঘটনাটিকে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
সুতরাং, অ‘শ্লীল কার্যকলাপের অভিযোগে তৌহিদী জনতা সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভা‘ঙ‘চুর করেছে—এমন দাবি বিভ্রান্তিকর।

