সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, জয়পুরহাটের যুব মহিলা লীগের এক নেত্রীকে বিএনপির নেতা-কর্মীরা সংঘবদ্ধ ধ’র্ষণের পর চুল কেটে গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখেছেন। তবে ফ্যাক্ট রিভিউয়ের যাচাইয়ে দেখা গেছে দাবিটি মিথ্যা।
প্রকৃতপক্ষে, ভিডিওটি মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার টেপরা এলাকার একটি পুরোনো ঘটনার। গত ১৬ মে, টাকা চুরির অভিযোগে এক নারীকে আটক করে তাঁর চুল কেটে দেওয়া হয়। শিবালয় থানার ওসির বক্তব্য অনুযায়ী, পরে পুলিশ ওই নারীকে আটক করে এবং সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতে পাঠায়। তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় বিএনপির কেউ জড়িত নন।
অর্থাৎ, চুরির অভিযোগে এক নারীকে আটকের পুরোনো ভিডিওকে রাজনৈতিক নেত্রীকে সংঘবদ্ধ ধ’র্ষণের পর নির্যাতনের ঘটনা হিসেবে প্রচার করা হয়েছে, যা বিভ্রান্তিকর।

