সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কলেজছাত্র সিফাত আব্দুল্লাহকে গ্রে`প্তা`রের পর জনতার চাপের মুখে মুক্তি দেওয়া হয়েছে—এমন দাবি সম্বলিত একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। প্রচারিত ছবিতে তাকে মুক্ত অবস্থায় দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করা হলেও এর মাধ্যমে তার বর্তমান অবস্থাকে ঘিরে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
দাবিটির সত্যতা যাচাই করতে প্রাসঙ্গিক সংবাদ প্রতিবেদন ও নির্ভরযোগ্য সূত্র পর্যালোচনা করে সিফাত আব্দুল্লাহর মুক্তি পাওয়ার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। বরং গ্রে`প্তা`রের পর ৪ সেপ্টেম্বর তাকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তার বিরুদ্ধে স`ন্ত্রা`সবিরোধী আইনে মামলা দায়েরের তথ্যও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
অন্যদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিটির সত্যতা যাচাই করেও এটিকে বাস্তব ছবি হিসেবে গ্রহণ করার মতো কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস পাওয়া যায়নি। ছবিটি এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি কি না যাচাই করতে ওপেনএআইয়ের প্রযুক্তিতে বিশ্লেষণ করা হলে এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় তৈরি হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়।
অর্থাৎ, সিফাত আব্দুল্লাহর মুক্তির কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও এআই-নির্মিত একটি ছবিকে তার মুক্তির দৃশ্য হিসেবে ব্যবহার করে দাবি ছড়ানো হয়েছে

