সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি ও সংবাদ ফটোকার্ড শেয়ার করে দাবি করা হচ্ছে, ১১ দলীয় জোটের লংমার্চের কারণে সৃষ্ট যানজটে আটকে এনসিপির গাড়িবহরের পেছনে থাকা একটি অ্যাম্বুলেন্সে রোগীর মৃ‘ত্যু হয়েছে। পোস্টগুলোতে ঘটনাটিকে লংমার্চের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত করে এনসিপির সমালোচনা করা হচ্ছে।
তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, প্রচারিত ছবিটি যে ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করে উপস্থাপন করা হচ্ছে, সেটি প্রকৃতপক্ষে কুমিল্লার নিমসার বাজার এলাকার। ছবিটির মূল সংস্করণ ও সংশ্লিষ্ট স্থানের দৃশ্য পর্যালোচনা করে এর সঙ্গে লংমার্চের সময় ঢাকার যানজটে আটকে থাকা অ্যাম্বুলেন্সটির কোনো মিল পাওয়া যায়নি।
প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, যে রোগীর মৃ‘ত্যুর ঘটনা নিয়ে পোস্টগুলোতে দাবি করা হচ্ছে, ওই অ্যাম্বুলেন্সটি বরিশাল থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। ঢাকায় প্রবেশের পর হানিফ ফ্লাইওভার, মহাখালীসহ বিভিন্ন এলাকায় তীব্র যানজটে অ্যাম্বুলেন্সটি দীর্ঘ সময় আটকে ছিল। পরে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে রোগীর মৃ‘ত্যু হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, এনসিপির গাড়িবহরের পেছনে থাকা অ্যাম্বুলেন্সটিকে ওই মৃ‘ত রোগীর অ্যাম্বুলেন্স হিসেবে শনাক্ত করার মতো কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে কুমিল্লায় তোলা একটি ছবিকে ঢাকার যানজটে রোগীর মৃ‘ত্যুর ঘটনার সঙ্গে মিলিয়ে এনসিপির গাড়িবহরের কারণে রোগীর মৃ‘ত্যু হয়েছে বলে যে দাবি প্রচার করা হচ্ছে, তা মিথ্যা।

