Google search engine
HomePoliticsইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের দায়িত্ব হস্তান্তরের সিদ্ধান্তকে ‘ইনকিলাব মঞ্চ থেকে আব্দুল্লাহ আল জাবের...

ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের দায়িত্ব হস্তান্তরের সিদ্ধান্তকে ‘ইনকিলাব মঞ্চ থেকে আব্দুল্লাহ আল জাবের ও ফাতিমা তাসনিম জুমার পদত্যাগ’ হিসেবে প্রচার করা হয়েছে, যা বিভ্রান্তিকর এবং বাস্তব ঘটনার ভুল উপস্থাপন। 

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে যে, ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের এবং সংগঠনের অন্যতম সংগঠক ফাতিমা তাসনিম জুমা ইনকিলাব মঞ্চ থেকে পদত্যাগ করেছেন। এই দাবিটি বিভিন্ন পোস্ট ও ফটোকার্ডের মাধ্যমে এমনভাবে প্রচার করা হচ্ছে, যাতে সাধারণ পাঠকের কাছে মনে হতে পারে তারা মূল সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চ থেকে নিজেদের সম্পৃক্ততা প্রত্যাহার করেছেন।

তবে অনুসন্ধানে দেখা যায়, প্রচারিত দাবিটি সঠিক নয় এবং এটি বিভ্রান্তিকর। প্রকৃতপক্ষে, আব্দুল্লাহ আল জাবের ও ফাতিমা তাসনিম জুমা ইনকিলাব মঞ্চ নয়; ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার–এর দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে তাদের নিজ নিজ ফেসবুক পোস্ট পর্যালোচনায় দেখা যায়, ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার, যা ইনকিলাব মঞ্চ পরিচালিত একটি সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্ম, সেটির দায়িত্ব হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেখানে আব্দুল্লাহ আল জাবের চেয়ারম্যান এবং ফাতিমা তাসনিম জুমা সহ-সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। একই সিদ্ধান্তে সেন্টারের আরও কয়েকজন দায়িত্বশীল ব্যক্তিও যুক্ত রয়েছেন।

পদত্যাগ বা দায়িত্ব হস্তান্তরের কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, হাদির পরিবারের দাবির প্রেক্ষিতে ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের সকল দায়িত্ব ও দলিল যথাযথ প্রক্রিয়ায় তাদের কাছে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, এটি একটি সাংগঠনিক সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্মের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত; মূল রাজনৈতিক সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা নয়।

বিষয়টি আরও নিশ্চিত করতে ফাতিমা তাসনিম জুমা–র সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “মঞ্চ থেকে পদত্যাগ নয়। সেন্টার থেকেও এখনো পদত্যাগ করিনি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যথাযথ প্রক্রিয়া শেষে সেন্টারের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেব। এটি শুধুমাত্র ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের বিষয়, ইনকিলাব মঞ্চের নয়।”

সুতরাং, ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের দায়িত্ব হস্তান্তরের সিদ্ধান্তকে ‘ইনকিলাব মঞ্চ থেকে আব্দুল্লাহ আল জাবের ও ফাতিমা তাসনিম জুমার পদত্যাগ’ হিসেবে প্রচার করা হয়েছে, যা বিভ্রান্তিকর এবং বাস্তব ঘটনার ভুল উপস্থাপন। 

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular