
সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দাবি করা হচ্ছে—ঝিনাইদহে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনায় “অস্ত্রসহ ধরা পড়েছে শিবিরের দুই সন্ত্রাসী”।
তবে বিস্তারিত অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ভাইরাল পোস্টে প্রচারিত দাবির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ঘটনার ভিডিও বিশ্লেষণে দেখা যায়, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পাশে থাকা এক যুবক কোমর থেকে একটি বস্তু বের করেন, যা পরবর্তীতে সামাজিক মাধ্যমে আগ্নেয়াস্ত্র হিসেবে প্রচার করা হয়।
এ ঘটনায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ অভিযোগ করেন, এনসিপির নেতাকর্মীদের কাছে অস্ত্র ছিল। অন্যদিকে, ছাত্রদলের এক নেতা সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেন, ওই ব্যক্তিরা শিবিরের কর্মী। তবে এসব দাবির পক্ষে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিশ্চিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পরবর্তীতে এনসিপির মিডিয়া উইং জানায়, ভাইরাল ভিডিওতে দেখা বস্তুটি কোনো আগ্নেয়াস্ত্র নয়। যাঁর হাতে বস্তুটি ছিল, তাঁর নাম আশিক বিশ্বাস এবং তিনি এনসিপির কর্মী। ভিডিও বক্তব্যে আশিক বিশ্বাস দাবি করেন, সেটি একটি “সেফটি স্টিক”, যা হামলার সময় ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল এবং পরে থানায় জমা দেওয়া হয়।
বিশ্লেষণে প্রতীয়মান হয়, যাচাইকৃত তথ্য ছাড়াই রাজনৈতিক পরিচয় ও “অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী” তকমা যুক্ত করে সামাজিক মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর প্রচার চালানো হয়েছে।



