ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-কে উদ্ধৃত করে নির্বাচনে ২১.৪ শতাংশ জাল ভোট পড়েছে—এমন দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়, যা জনমনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। তবে পরবর্তীতে টিআইবি এক সংবাদ সম্মেলন ও আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্ট করে। তারা জানায়, প্রচারিত ২১.৪ শতাংশ সংখ্যা জাল ভোটের হার নির্দেশ করে না। বরং এটি তাদের পর্যবেক্ষণ করা ৭০টি আসনের মধ্যে ২১.৪ শতাংশ আসনে (প্রায় ১৪.৯৮টি আসনে) এক বা একাধিক জাল ভোটের ঘটনার উপস্থিতিকে বোঝায়।
গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবি উল্লেখ করে, তাদের মাঠপর্যায়ের গবেষণায় দৈবচয়ন পদ্ধতিতে নমুনাভিত্তিকভাবে নির্বাচিত ৭০টি আসনের মধ্যে ২১.৪ শতাংশ আসনে জাল ভোটের ঘটনা শনাক্ত হয়েছে। তবে এই তথ্যকে পুরো নির্বাচনে মোট ২১.৪ শতাংশ জাল ভোট পড়েছে—এভাবে উপস্থাপন করা সম্পূর্ণ ভুল, ভিত্তিহীন এবং অমূলক। টিআইবি আরও জানায়, এই তথ্যের ভুল ব্যাখ্যা জনসাধারণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।
এ কারণে, যেসব গণমাধ্যম বা প্ল্যাটফর্ম এই তথ্য ভুলভাবে উপস্থাপন করেছে, তাদের যথাযথ সংশোধনী প্রকাশের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। অন্যথায়, এ ধরনের বিভ্রান্তিকর উপস্থাপনাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
সুতরাং, নির্বাচনে মোট ২১.৪ শতাংশ জাল ভোট পড়েছে—এমন দাবি সঠিক নয়।
তথ্যসূত্র:
[https://www.ti-bangladesh.org/bn/articles/press-release/7439](https://www.ti-bangladesh.org/bn/articles/press-release/7439 “”)

