সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে—বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশজুড়ে সরকারি অফিস বন্ধ, গণপরিবহন ও বিমান চলাচল সীমিত, হাসপাতালসহ জরুরি সেবা স্থগিত এবং পোস্ট অফিসে পোস্টাল ভোট গ্রহণ বন্ধ রাখা হবে। একই সঙ্গে পুলিশকে জবাবদিহির হুমকি ও প্রশাসনিক কার্যক্রম অচল করে দেওয়ার মতো একাধিক চরম নির্দেশনাও এতে যুক্ত করা হয়েছে।
তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ভাইরাল হওয়া এই প্রেস বিজ্ঞপ্তিটি ভুয়া ও সম্পাদিত। সংগঠনের আসল প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনার কোনো উল্লেখ নেই। মূল বিজ্ঞপ্তিতে শুধু ৬ ফেব্রুয়ারির কর্মসূচিতে পুলিশের হামলার প্রতিবাদ জানানো হয়েছে এবং আহত কর্মচারীদের দ্রুত চিকিৎসার দাবি তোলা হয়েছে। পাশাপাশি ৮ ফেব্রুয়ারি শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি, কালো ব্যাজ ধারণ ও সীমিত কর্মবিরতির কথা বলা হয়েছে।
আসল বিজ্ঞপ্তিতে হাসপাতাল, পরিবহন, বিমান চলাচল কিংবা জরুরি সেবা বন্ধের কোনো ঘোষণা নেই।
অর্থাৎ সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো কাগজে অতিরিক্ত ও কাল্পনিক বহু নির্দেশনা যোগ করে পরিস্থিতিকে ভয়াবহ রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। বাস্তবে প্রকৃত প্রেস বিজ্ঞপ্তিটি ছিল নির্দিষ্ট ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিভিত্তিক, আর ভাইরাল সংস্করণটি বিভ্রান্তিকরভাবে সম্পাদিত।

