সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘দোকানে ঠাকুর দেবতার ছবি থাকায় খাবার হালাল হবে না—এই অভিযোগে পিটিয়ে হিন্দু মিষ্টি ব্যবসায়ীকে হত্যা করা হয়েছে’ শিরোনামে একটি দাবি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। তবে আলোচিত ঘটনাটি নিয়ে অনুসন্ধানে দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম প্রথম আলোর প্রতিবেদনে ভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। সংবাদ অনুযায়ী, গাজীপুরের কালীগঞ্জে ঘটনাটি কোনো সাম্প্রদায়িক ইস্যু থেকে নয়, বরং একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘটে।
প্রতিবেদন বলছে, রেস্তোরাঁর এক কর্মীর সঙ্গে কথাকাটাকাটির জেরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয় এবং সেই কর্মীকে মারধর করা শুরু হলে তাকে বাঁচাতে এগিয়ে যান দোকানের মালিক লিটন চন্দ্র ঘোষ। এ সময় তিনিও হামলার শিকার হন এবং একপর্যায়ে বেলচা দিয়ে মাথায় আঘাত করা হলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহত লিটন চন্দ্র ঘোষ কালীগঞ্জ পৌরসভার চান্দাইয়া এলাকার বাসিন্দা এবং ‘বৈশাখী সুইটমিট অ্যান্ড হোটেল’-এর মালিক ছিলেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে পুলিশ আটক করেছে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবারের বক্তব্যেও দোকানে দেবতার ছবি বা হালাল ইস্যুকে কেন্দ্র করে হামলার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
অতএব, ঘটনাটিকে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা হিসেবে উপস্থাপন করে যে দাবি ছড়ানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর এবং গুজব।
তথ্যসূত্র:
[https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/sc96m0h9on](https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/sc96m0h9on “”)

