সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, দাড়ি না থাকায় বাংলাদেশে মানুষকে জোর করে চুল কেটে দেওয়া হচ্ছে। ভিডিওটি ঘিরে বিভ্রান্তি ও আতঙ্ক তৈরি হলেও অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এই দাবি সত্য নয়।
প্রকৃতপক্ষে, আলোচিত ভিডিওটি ফরিদা পারভীনের স্মরণে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানের দৃশ্য। সেখানে কয়েকজন সাংস্কৃতিক কর্মী স্বেচ্ছায় চুল কেটে প্রতীকী প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এটি কোনো জোরপূর্বক শাস্তি বা দাড়ি না থাকার কারণে সংঘটিত ঘটনা নয়।
তথ্যসূত্র:

