সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া “গ্রিসের মুসল্লিরা ১৮০ বছর পর নামাজ পড়ার অনুমতি পেয়েছেন” এই দাবিটি প্রকৃতপক্ষে সঠিক নয়, বরং বিভ্রান্তিকর। মূল ঘটনা হলো, গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে ২০২০ সালে ১৮০ বছর পর প্রথমবারের মতো একটি সরকারি মসজিদ চালু করা হয়। তবে এর মানে এই নয় যে মুসলিমরা এতদিন নামাজ পড়তে পারেননি। এর আগেও গ্রিসের বিভিন্ন এলাকায় মসজিদ ছিল এবং মুসল্লিরা ব্যক্তিগতভাবে কিংবা ছোট উপাসনালয়ে নামাজ আদায় করতেন। শুধু রাজধানী এথেন্সেই এতদিন কোনো সরকারি মসজিদ ছিল না।
রয়টার্স ও আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৮৩৩ সালে অটোমান শাসনের পতনের পর এথেন্সে কোনো মসজিদ ছিল না, যদিও মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ বহুবার নেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘ আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে ২০২০ সালের ২ নভেম্বর এথেন্সে প্রথম সরকারি মসজিদটি খোলা হয় এবং ওইদিনই সেখানে প্রথম নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। তাই মূল ঘটনা হচ্ছে—১৮০ বছর পর মসজিদ চালু হয়েছে, কিন্তু নামাজ আদায়ে কোনো রাষ্ট্রীয় নিষেধাজ্ঞা ছিল না। সুতরাং, সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত ‘১৮০ বছর পর নামাজের অনুমতি’—এই দাবিটি বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
তথ্যসূত্র:

