সম্প্রতি আল-আরাফাহ, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামীসহ কয়েকটি ব্যাংকের শতাধিক কর্মী চাকরিচ্যুত হয়েছেন। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০২১ সাল থেকে নিয়োগে অনিয়মের কারণে নিয়মিতকরণ পরীক্ষার আয়োজন করা হয়, যেখানে যারা অকৃতকার্য হয়েছেন শুধু তাদেরকেই অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে সামাজিক মাধ্যমে একটি প্রতিবেদন ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে দাবি করা হয়—প্রথম আলোতে “ইসলামী ব্যাংকে বড় ধরনের ছাঁটাইয়ের প্রস্তুতি” শিরোনামে খবর প্রকাশিত হয়েছে। সেই ভুয়া প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৯ আগস্ট ইসলামী ব্যাংকে অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা নিয়ে ৬ হাজার কর্মকর্তা চাকরিচ্যুত হতে পারেন।
তবে অনুসন্ধানে দেখা যায়, প্রথম আলো কখনোই এ ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি। ভুয়া প্রতিবেদনের স্ক্রিনশটে ব্যবহৃত লোগো, ফন্ট ও প্রকাশনার ধরন মূল প্রথম আলোর সঙ্গে মেলে না। মূলধারার ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ ও ইউটিউবে এ সংক্রান্ত কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে অনুসন্ধানে জানা যায়, ইসলামী ব্যাংক সত্যিই ২৯ আগস্ট “স্পেশাল কম্পিটেন্সি অ্যাসেসমেন্ট” নামে একটি পরীক্ষা নিতে যাচ্ছে।
২০ আগস্ট খবরের কাগজের প্রতিবেদনে উল্লেখ ছিল, ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ আলোচনার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর জানা যায় গত ১৪ আগস্ট এ বিষয়ে একটি অফিসিয়াল চিঠি জারি করা হয়। এর মাধ্যমে কিছু কর্মী ছাঁটাই হতে পারে বলে ধারণা পাওয়া যায়।
অতএব, প্রথম আলোর নামে প্রচারিত প্রতিবেদন সম্পূর্ণ ভুয়া ও বানোয়াট।
তথ্যসূত্র;

