সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে যে গোপালগঞ্জের একটি পুকুরের পানির নিচে ১০ হাজার লিটার ডিজেল লুকিয়ে রাখা ছিল। পোস্টে দেশের চলমান জ্বালানি সংকট ও বাজারমূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপট যুক্ত করে ঘটনাটিকে “সাগর সেঁচে স্বর্ণ পাওয়ার মতো” হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এমন দাবির মাধ্যমে সাধারণ জনগণকে আতঙ্কিত করা হয়েছে এবং ঘটনা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
তথ্য যাচাইয়ের পরে জানা গেছে, ভাইরাল দাবির পরিমাণ ও প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত অতিরঞ্জিত। বাস্তবে, গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত ২০০ লিটার ডিজেল উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় একজন ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া, ভাইরাল ছবিটি এআই-জেনারেটেড, যা বাস্তব দৃশ্যের সঙ্গে মেলানো যায় না।
ফলে, ডিজেল উদ্ধার হওয়া সত্য, তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত পরিমাণ, প্রতিক্রিয়া এবং ছবির ব্যবহার বিভ্রান্তিকর। এমন প্রকারের অতিরঞ্জিত প্রচারণা সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার পাশাপাশি দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে ভুল ধারণা ও অপ্রয়োজনীয় আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

