সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়, গাজীপুরে বাবা-মেয়েকে আটকে রেখে মেয়েকে গণধর্ষণ করা হয়েছে। ফেসবুক, এক্স, ইন্সটাগ্রাম ও থ্রেডসে ভিডিওটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, এমনকি বিদেশি কিছু অ্যাকাউন্ট থেকেও বিভিন্ন উসকানিমূলক দাবি করা হয়। কিন্তু ফ্যাক্ট রিভিউ টিমের অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়, ভিডিওটি গাজীপুরের নয় এবং এতে ধর্ষণের কোনো সম্পর্ক নেই।
আসলে ভিডিওটিতে যাকে দেখা যাচ্ছে তার নাম নূপুর দাস, তিনি রংপুরের তারাগঞ্জের বাসিন্দা। গত ৯ আগস্ট ভ্যানচোর সন্দেহে জনতা তার বাবা রূপলাল দাস ও আত্মীয় প্রদীপ দাসকে পিটিয়ে হত্যা করে। সেই সময় নূপুর কান্না করলে তার দৃশ্য ভিডিও করা হয় এবং পরে সেটিই বিভ্রান্তিকরভাবে গাজীপুরের গণধর্ষণের দাবি হিসেবে প্রচারিত হয়। মূলধারার গণমাধ্যম এটিএন নিউজ, ডেইলি স্টার, সমকালসহ একাধিক প্রতিবেদনে এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, রূপলাল ছিলেন মুচি এবং প্রদীপ ছিলেন ভ্যানচালক; তারা নূপুরের বিয়ের দিন-তারিখ ঠিক করতে যাচ্ছিলেন, পথে গণপিটুনির শিকার হন। ভিডিওতে নূপুর নিজেও নিহতদের নাম ও পরিচয় উল্লেখ করেছেন।
সব মিলিয়ে স্পষ্ট যে, এটি রংপুরের গণপিটুনির ঘটনা, গাজীপুরে গণধর্ষণের নয়। সুতরাং প্রচারিত দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
তথ্যসূত্র:
[https://www.youtube.com/watch?v=hrLo2szv8to](https://www.youtube.com/watch?v=hrLo2szv8to “”)
[https://bangla.thedailystar.net/…/crime…/news-692166](https://bangla.thedailystar.net/…/crime…/news-692166 “”)

